Author Picture

রোমান্টিক প্রেমের চিঠি

খন্দকার রেজাউল করিম

রবীন্দ্রনাথের ‘সমাপ্তি’ ছোটগল্পে মৃন্ময়ী তার স্বামীকে লিখেছিলো, ‘তুমি কেমন আছ, আর তুমি বাড়ি এসো। এইবার তুমি আমাকে চিঠি লিখো, আর কেমন আছ লিখো, আর বাড়ি এসো, মা ভালো আছেন, বিশু পুঁটি ভালো আছে, কাল আমাদের কালো গোরুর বাছুর হয়েছে।’
ছেলেবেলায় একটি বইয়ে, লেখকের নাম ভুলে গেছি, আরেকটি প্রেমের চিঠি পড়েছিলাম, যেখানে স্বামী তাঁর স্ত্রীকে লিখছেন, ‘আমার দিল হামেশা আপনাতে বাঁধা আছে। আমার দোস্ত দবির তাহার বিবির জন্যে একটি কালো বোরখা ফরমাইয়াছে, আমি আপনার জন্যে একটি ছিটের বোরখা ফরমাইলাম।’

চিঠিটির মালিকত্ব অনেকেই দাবি করতে পারেন, দুই হাজার বছর আগে গ্রিক কবি ফিলোস্ট্রাটাস সম্ভবত চিঠিটি লেখা শুরু করেন। তবে ওটা হাজার প্রেমিকের মনের কথা, ওটা হাজার বছর ধরে লেখা হয়েছে, গাওয়া হয়েছে

এই চিঠি দুটিতে লেখক বা লেখিকার মূল বক্তব্য প্রথম বাক্যেই বলা হয়ে গেছে, বাঁকি অংশ বাহুল্য মাত্র। কালো গরুর মাতৃত্ব বা স্ত্রীর বোরখা ক্রয় কোনো প্রেমের চিঠির জরুরী অংশ হতে পারে না।
রোমান্টিক প্রেমের চিঠিতে সবটাই বাহুল্য, যেমন কবিতা এবং গানে। এমন একটা চিঠি,
Drink to me only with thine eyes
And I will pledge with mine.
Or leave a kiss within the cup
And I’ll not ask for wine.

The thirst that from the soul doth rise
Doth ask a drink divine;
But might I of Jove’s nectar sup,
I would not change for thine.

I sent thee late a rosy wreath,
Not so much hon’ring thee
As giving it a hope that there
It could not withered be;

But thou thereon did’st only breathe,
And sent’st it back to me,
Since when it grows and smells, I swear
Not of itself, but thee – but thee.


চিঠি না পাগলের প্রলাপ? প্রেমিক মানেই কি পাগল? উপরের চিঠিটি কে লিখেছেন? চিঠিটির মালিকত্ব অনেকেই দাবি করতে পারেন, দুই হাজার বছর আগে গ্রিক কবি ফিলোস্ট্রাটাস সম্ভবত চিঠিটি লেখা শুরু করেন। তবে ওটা হাজার প্রেমিকের মনের কথা, ওটা হাজার বছর ধরে লেখা হয়েছে, গাওয়া হয়েছে।
আমার মদে প্রয়োজন নেই, যে পেয়ালায় তোমার ঠোঁটের স্পর্শ লেগে আছে, সেই খালি পেয়ালাই যথেষ্ট! ‘কেবল আঁখি দিয়ে আঁখির সুধা পিয়ে হৃদয় দিয়ে হৃদি অনুভব। আঁধারে মিশে গেছে আর সব।’ এই গান বা চিঠি রবি ঠাকুরকে আচ্ছন্ন করেছিল নিশ্চয়, তাঁর কত গানেই না এই কথাগুলো ঘুরেফিরে আসে। তাঁর ‘কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া’ গানের সুরটি এই গান থেকে নেয়া। গানটি দেশে বিদেশে অনেকেই গেয়েছেন।

আরো পড়তে পারেন

ত্বহা হুসাইনের দিনগুলি

চৌদ্দ. মিশরের প্রাদেশিক শহর ও গ্রামগুলোতে শিক্ষা যেমন বিরাট মর্যাদার এক বিষয়; শহর ও এর পরিমণ্ডলে থাকা বিভিন্ন শিক্ষা ক্ষেত্রগুলোয় তা একেবারোই উল্টো। আর অবশ্যই এতে আশ্চর্য হওয়ার মত কিছু নেই। কেননা এটিও সম্পূর্ণভাবে চাহিদা ও সরবরাহ আইন; যা ক্রয়বিক্রয় সম্বন্ধীয় অন্যান্য জিনিসের মতো জ্ঞানের ক্ষেত্রেও চলত। এই যেমন, কায়রোতে বিদ্বান আলেমরা স্বাভাবিক আসা-যাওয়া করে।….

ত্বহা হুসাইনের দিনগুলি

তের সে দেখে শহুরে ওই যুবক প্রথম ও দ্বিতীয় দিন কিছুই বলে না তাকে। কিন্তু এই ঘটনা যখন ধারাবাহিক ঘটতে থাকে, তখন একদিন (শায়খ) বাবার চলে যাওয়ার অপেক্ষা করে সে। তারপর বালককে তার মায়ের সামনে বলে, ‘তুমি তোমার বাবার সঙ্গে প্রতারণা করছ এবং তাকে মিথ্যা বলছ। মকতবে পড়াশোনা কিছুই করো না, শুধু কেবল খেলাধুলাই করো….

ত্বহা হুসাইনের দিনগুলি

বারো কিন্তু আলফিয়া!.. আলফিয়া সম্পর্কে কী জানো তুমি? মনে কর আমাদের শিক্ষক এই কিতাবের একটি শব্দও মুখস্থ করেননি। এও মনে কর, আরিফ এই পুস্তকের প্রথম স্তবকটিও ভালোভাবে পড়তে পারবে না। আলফিয়া হচ্ছে কাব্য। আর কোরানে তো কাব্য নেই।   যদিও মাস অতিক্রান্ত হয়। আযহার থেকে ভাইও ফিরে আসে। কিন্ত তার অবস্থা যেমন ছিল তেমনই রয়।….

error: Content is protected !!