Author Picture

মইনুল ইসলামের টুকরো কবিতা

মইনুল ইসলাম

বৃষ্টি আর মিষ্টি
~
এই ভেজা ডালটাতে যে পাখিটা এসে বসে
ওর নাম বৃষ্টি,
এই ভেজা চুলে যে মেয়েটি দাড়ায় কাছে এসে
ওর নাম মিষ্টি,
এই বৃষ্টি আর মিষ্টিকে নিয়েই আমার মনে
যতোসব অনাসৃষ্টি।


বয়সকাল
~
আমার যখন বয়স হলো
সেই সাথে তোমারও হলো,
আমি যখন কচি লেবু পাতার ঘ্রানে মাতাল হলাম—
সেই রোগ তোমাকেও ধরলো,
তারপর আমাদের মাঝে কত কি যে হয়ে গেল!


কে জানতো
~
কে জানতো তোমাতে আমাতে এইখানে দেখা হবে?
কে জানতো এই দেখা দিনে দিনে এমন প্রগাঢ় হবে?
কে জানতো একদিন আমি সিগারেটের মত পুড়েঁ পুঁড়ে নিঃশেষ হবো—
তুমি কিঙ্করী সেজে কোন অচেনার ঘরে বাসর সাজাবে?


ভালবাসা
~
সীমা নেই, কোন পরিসীমা নেই
বোঝার সাধ্য নেই কারো,
চেয়ে দেখো ওই আকাশটাকে—
ভালবাসার মাপকাঠি দিয়ে কি তাকে মাপতে পারো?

আরো পড়তে পারেন

দুখু বাঙাল-এর পাঁচটি কবিতা

আঁধার বনাম অন্ধকার . দিতে চাও দিয়ো শাস্তি মায়ের মূর্তির ন্যায় সাগরে ফেলিয়ো ঢেউ হয়ে ফেনা হয়ে ছড়াইব সুরের কম্পন হৃদকূপে ফেলিয়ো না একমাত্র এটুকু মিনতি। দিতে চাও দিয়ো শাস্তি সাড়ে তিন হাত মাটির গভীরে রেখো পুঁতে ঘাস হয়ে ফুল হয়ে সাজাইব সমাধি প্রাঙ্গণ হৃদকূপে ফেলিয়ো না একমাত্র এটুকু মিনতি। পড়ে গেলে একবার হৃদকূপে কে….

সিদ্ধার্থ হকের ১০টি লজিং মাস্টার

কবিতাগুলো পড়ে প্রথমে মনে হবে- লজিং মাস্টারের জীবন তুলে আনা হয়েছে। দ্বিতীয়বার পড়লে মনে হবে- লজিং মাস্টার সকল জাগতিকতার ভ্রমণ শেষে দৃশ্যদের ইহজাগতিকতার হাতছানি দিয়ে পশ্চিমাকাশে অস্তমিত হতে যাচ্ছে। তৃৃতীয়বার পড়লে মনে হবে- পৃথিবীটা এই লজিং মাস্টারের ভিতরে ঘুর্নায়মান।  সিদ্ধার্থ হকের একটা কবিতা স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি কাব্যময়তা ধরনে সক্ষম। তাঁর কবিতায় বাস্তবতাকে চিত্রকল্প রুপেও….

হাইকেল হাশমী’র একগুচ্ছ কবিতা

জাগ্রত স্বপ্ন ~ জাগ্রত চোখে কতো স্বপ্ন দেখি কিন্তু জীবনের একটি এড়ো পথে এসে থমকে দাঁড়াই। জীবন তো কোন যানবাহন নয় ইচ্ছে মতো দিক পরিবর্তন করা যায় না থমকে দাঁড়াতে হয়। জীবন তো অনেক দিন ধরে অতিবাহিত করছি এটাও জানি, অভিজ্ঞতা থেকেই জানি জীবন খুব বেশীক্ষণ থেমে থাকে না। জীবন তো স্রোতের মতো নিজ গন্তব্যে….

error: Content is protected !!